Header Ads

---বার্বাডোজের গর্ব স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল এবং ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ২ ডলারের নোটে কিংবদন্তি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস---

 ---বার্বাডোজের গর্ব স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল---  



ক্রিকেট ইতিহাস বা একদা প্রবাদ প্রতিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ সম্পর্কে ধারণা থাকলে কিংবদন্তি “3W” অজানা থাকার কথা নয় I তাঁরা হলেন বার্বাডোজের স্যার এভার্টন উইকস, স্যার ক্লাইড ওয়ালকট এবং স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল I তিনজনই দুর্ধর্ষ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ছিলেন I 


২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ বার্বাডোজ ৫ ডলারের একটি পলিমার ব্যাংকনোট রিলিজ করেছিল যার সম্মুখে রয়েছে ওয়েস্টইন্ডিজ ক্রিকেট টিমের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল এবং নোটের পেছনসাইডে “3W Oval“ মাঠে ব্যাটিংরত স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেলের ছবি I আসুন ফ্রাঙ্ক ওরেল সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক I


১৯৬২ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নরি কনট্রাক্টর দল নিয়ে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সফরে এসেছেন। দলের ব্যাটিং বেশ শক্তিশালী তবে একজন সত্যিকারের ফার্স্ট বোলারের অভাব। তখন মাথায় হেলমেট পরে ব্যাটিং করা প্রচলন হয়নি I তৃতীয় টেস্টের আগে ব্রিজটাউনের কেন্সিংটন ওভালে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে ব্যাট করতে গিয়ে চার্লি গ্ৰিফিথের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে মাথায় ভয়ঙ্কর আঘাত পেয়ে ক্রীজে লুটিয়ে পড়লেন  নরি কনট্রাক্টর। মাথায় রক্ত জমাট বেঁধেছে। জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা কনট্রাক্টরের জন্য প্রচুর রক্ত দরকার। ভারতীয় ক্রিকেটাররা এগিয়ে এলেন, মানবিক রূপের অসমান্য উদাহরণ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অধিনায়কের জন্য রক্ত দিতে এগিয়ে আসলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ফ্র্যাঙ্ক ওরেল ।দু'বার অস্ত্রপচার হয় কনট্রাক্টরের ,মস্তিস্কের জমাট রক্ত বের করা হল। জীবন ফিরে পেলেন ভারত অধিনায়ক, বেঁচে গেলেও তারপর আর দেশের হয়ে আর খেলা হয়নি ৩১ টেস্ট খেলা নরি কন্ট্রাক্টরের । তাঁর জায়গায় তৃতীয় টেস্ট থেকে অধিনায়কত্ব করেছিলেন মনসুর আলী খান পটোদি I ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরা সেই ঘটনার জন্য কোনও দিনই ভুলতে পারবেন না ফ্রাঙ্ক ওরেল কে। একই ভাবে ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে বরাবর  শ্রদ্ধাশীল ছিলেন ফ্রাঙ্ক ওরেল। এই ঘটনাকে স্মরণ করে এবং ওরেলের মানবিক দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৮১ সাল থেকে আজো ক্রিকেট এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (CAB) প্রতি বছর ৩ রা ফেব্রুয়ারীতে রক্তদান শিবির আয়োজন করে, এবং এই দিনটি “ফ্রাঙ্ক ওরেল দিবস” হিসেবে পালিত হয় I ১৯৮১ সালে প্রথমবার যে সার্টিফিকেট রক্তদাতাদের দেওয়া হয় তাঁর মধ্যে সই ছিল নরিম্যান কন্ট্রাক্টরের। ১৯৮২ সালে তাতে সই করেন ডন ব্রাডম্যান ও ইয়ান বোথাম। ১৯৮৩ সালে সই করেন ইমরান খান, ৮৪-তে সুনীল গাভাসকর, ৮৫-তে কপিলদেব। এইভাবে প্রতিবছর সই করে থাকেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মাস্টার ব্ল্যাস্টার শচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলির, রোহিত শর্মা I 




পুরো নাম ফ্রাঙ্ক ম্যাকগ্লিন ওরেল। ছোট থেকেই ক্রিকেট খেলায় আগ্ৰহ। বেশ ভাল বল করতেন। তেরো বছরের ফ্রাঙ্ক  এক লাফে স্কুলের প্রথম দলে সুযোগ পায়। তবে ছোট থেকেই বেশ নিরাসক্ত ভাব। নেটে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যাট করতে ভাল লাগত না। সেদিন অবশ্য ওরেলের হিসেবে একটু গন্ডগোল হয়ে যায়। তাঁর স্কুল জয়ের পথে, ফ্রাঙ্কের ব্যাট করার কথা দশ কি এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ‌। ভেবেছিলেন তাঁর আর ব্যাটিংয়ের দরকার হবে না, বরং সিনেমা দেখে আসা যাক। কিন্তু রাস্তায় দেখা সেই মাস্টার মশাইয়ের সঙ্গে যিনি ওরেলকে একেবারে পছন্দ করতেন না। প্রধানশিক্ষক কে নালিশ করলেন,ওরেলকে সাসপেন্ড করা হল। এসব ঘটনা ফ্রাঙ্কের ক্রিকেট প্রতিভা বিকশিত হতে খুব একটা বাধা হতে পারেনি।


ওরেল বরাবর একটু ঘুমকাতুরে,প্যাড পরে ড্রেসিংরুমে ঘুমিয়ে পড়তেন। কেউ ডেকে ঘুম ভাঙিয়ে বলত ফ্রাঙ্ক তোমার ব্যাটের পালা। ব্যাট,গ্লাভস দুটো নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে পড়লেও জানতেন না খেলার কি অবস্থা। দলের রান কত, কেমন হচ্ছে বোলিং এসব জানা - বোঝার প্রয়োজন অনুভব করতেন না। একসময়ে ভাল ফুটবলও খেলতেন। সাঁতার ও টেবিল টেনিসেও ওস্তাদ।সেইসময়ে মনে হত ফ্রাঙ্ক শুধু বোলার বাঁ - হাতে লেগ ব্রেক বল করে। সে যে ভাল ব্যাটিং করতে পারে কেউ বুঝত না, ফ্রাঙ্ক নিজেও অত ভাবত না। 


ফ্রাঙ্ক ওরেল বিরলদের জগতে বিরল প্রতিভা। মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলতেন। কত রান করেছেন মনে রাখতেন না।কতক্ষণ খেললেন তাও জানেন না। খবরের কাগজের হেড লাইন হয়েও পাতা উল্টিয়েও দেখেন না নিজের কৃতিত্বের উচ্ছ্বাসিত বর্ণনা।  একি অবহেলা,নাকি অহঙ্কারী মনের বহিঃপ্রকাশ। অথছ এই ওরেল ১৯৬০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্বাডোজ টেস্টে চতুর্থ উইকেটে গ্যারি সোবার্সের সাথে ৩৯৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। এই ওরেল বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টাই টেস্ট খেলা দুই অধিনায়কের অন্যতম।


বার্বাডোজের গর্ব ফ্রাঙ্ক ওরেল। দিনে দিনে বয়স যেমন বেড়েছে, তেমন বেড়েছে খেলার মান।ওয়েষ্টইন্ডিজ দলে সে যে নিয়মিত সুযোগ পাবে সবাই বুঝতে পেরেছিলেন। পরে অবশ্য ফ্রাঙ্ক জামাইকায় চলে আসেন। পেশাদার ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন,কাউন্টি খেলেছেন ইংল্যান্ডে। কিছুদিন পরে ভেলভা ব্রেওষ্টারের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। ওই মরসুম বেশ ভাল কাটল। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন,খেলা ছাড়ার পরে পড়াশোনা করবেন। ভর্তি হলেন ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় অর্থনীতি। খেলা একই সঙ্গে পড়াশোনা। একদিকে পেশাদার ক্রিকেটার একই সঙ্গে ছাত্র। ফ্রাঙ্ক ওরেল ওয়েষ্টইন্ডিজ দলের প্রথম কৃষ্ণকায় অধিনায়ক।


ওরেল দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেছেন। শক্তিশালী দল,সে যুগের শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার সোবার্স,রোহন কানহাই,সর্বোপরি ফ্রাঙ্ক ওরেল স্বয়ং। আর অস্ট্রেলিয়া, দলে রিচি বেনোর সাথে নীল হার্ভে,অ্যালান ডেভিডসনের সঙ্গে আরও বড় বড় সব ক্রিকেটার। ১৯৬০ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রথম টেস্ট ব্রিসবেনে। ক্রিকেট কত মধুর কত রোমাঞ্চকর হতে পারে দেখল গোটা বিশ্ব। ওয়েষ্টইন্ডিজের দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭৩৭ রান করে। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্ৰহ একই রান। পৃথিবীর ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম টাই। খেলা শুরু করেছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের বিরুদ্ধে খেলে অবসর নেবেন ফ্রাঙ্ক। খেলার ফলাফল নিয়ে দর্শকদের উৎসাহ নেই। সবার হৃদয় ভেঙেছে ফ্রাঙ্ক আর খেলবেন না। অবসরের বছর ঘুরতে না ঘুরতে ইংল্যান্ডের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ওরেলের গলায় পরিয়ে দিলেন নাইটহুডের সম্মান। তারপর ফ্রাঙ্ক ওরেল খুব বেশি দিন বাঁচেন নি। দুরারোগ্য রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে তখন বয়স মাত্র বিয়াল্লিশ ১৯৬২ সালে অকালেই তিনি চলে গেলেন । ফ্রাঙ্ক আর নেই ভাবলে শিউরে উঠেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা,পড়ে আছে তাঁর স্মৃতি I 




---স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসকে অনন্য সম্মান---


ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ২ ডলারের নোটে কিংবদন্তির ছবি


ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক তাদের ৪০ তম বর্ষে পা রাখল। আর সেই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই নেওয়া হল এই উদ্যোগ। ক্যারিবিয়ান ২ ডলারের নোটে ছাপা হল কিংবদন্তি ভিভ রিচার্ডসের ছবি। এই স্পেশাল নোট সবেমাত্র প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক।


বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। তাঁর হাত ধরেই একাধিক সম্মান পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। হেলমেট ছাড়া যেভাবে তাবড় তাবড় পেসারদের অনায়াসে চার-ছয় হাঁকাতেন তিনি তা অতুলনীয়। এরকম এক ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের প্রতি জানানো হল অনন্য সম্মান। তাঁকে সম্মান জানাতে উন্মোচন করা হল স্মারক নোটের। ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের তরফে নতুন একটি কারেন্সি নোট প্রকাশ করা হল। অ্যান্টিগাতে এক অনুষ্ঠানে এই নয়া নোট ছাপা হয়েছে।স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস তাঁকে এমন অভিনব উপায়ে কৃতজ্ঞতা জানানোর ফলে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর স্বপ্ন সত্যি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজের স্বর্গীয় বাবা-মা'কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার জন‌্য। তাঁর সাফল্যের রসায়নও যে এই আত্মবিশ্বাস তা জানিয়েছেন ভিভ রিচার্ডস।




অনেকের কাছেই ক্রিকেটের আসল ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ একজনই; স্যার ভিভ রিচার্ডস। ক্রিকেট ইতিহাসের সবচাইতে আগ্রাসী এবং খুনে মেজাজের ব্যাটসম্যান হিসেবে যাঁকে একবাক্যে মেনে নেন সবাই। যিনি ব্যাট করতেন হেলমেট ছাড়া; ফাস্ট বোলারদের স্বর্ণযুগে যিনি ছিলেন ফাস্ট বোলারদের যম। প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়ায় ভয়ের শীতল স্রোত বইয়ে দিতে মাঠে যাঁর উপস্থিতিই ছিল যথেষ্ট।


ভিভ রিচার্ডসের ছিল অসামান্য রিফ্লেক্স, প্রচণ্ড কবজির জোর আর দুর্দান্ত হ্যান্ড আই কো-অর্ডিনেশন। অফ স্টাম্পের বাইরের একটা গুড লেন্থ বলকে অনায়াসে মিডউইকেট অঞ্চল দিয়ে সীমানাছাড়া করতে পারতেন। কম্পালসিভ পুলার এবং হুকার ছিলেন। বিশেষ করে হুক শটে তাঁকে সর্বকালের সেরাদের একজন মনে করা হয়। হরাইজন্টাল ব্যাটে ‘অ্যাক্রস দ্য লাইন’ শট খেলতে পছন্দ করতেন বলে নিজের আত্মজীবনীর নাম দিয়েছিলেন ‘হিটিং অ্যাক্রস দ্য লাইন’!


ভিভের ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান দেখলে অবশ্য এ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। ১২১ টেস্টে ৫০.২৩ গড়ে ৮৫৪০ রান কিংবা ১৪৭ ওয়ানডেতে ৪৭ গড়ে ৬৭২১ রান ভিভের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানোর জন্য ‘যথেষ্ট’ হলেও ভিভের আসল মাহাত্ম্য লুকিয়ে আছে তাঁর অবিশ্বাস্য স্কোরিং রেটে। সত্তর-আশির দশকের ভয়ঙ্কর সব ফাস্ট বোলার, ঘাসে ভরা বাউন্সি উইকেট আর হেলমেটবিহীন যুগে খেলেও টেস্টে ৮৬ আর ওয়ানডেতে ৯০ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন যা এককথায় অতুলনীয়! সত্তর-আশির দশকের বোলারদের কাছে ভিভ রিচার্ডস ছিল এক বিভীষিকার নাম। ইংল্যান্ডের সাবেক ফাস্ট বোলার বব উইলিস একবার মজা করে বলেছিলেন, ‘ভিভ আমার ভালো বলগুলোতে মারত চার, আর বাজে বলগুলোতে ছয়।’


ব্যাট হাতে ভিভ যে কেবল বিধ্বংসীই ছিলেন তা নয়, তিনি ছিলেন অবিশ্বাস্য রকমের ধারাবাহিক। 

১৯৭৬-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫৫ গড়ে রান করেছেন ভিভ! ২৩ টি সিরিজ খেলেছেন, যার ১৩টিতেই তাঁর গড় ছিল পঞ্চাশের বেশি! ব্যাটিং গড়ে ভিভ পেছনে ফেলে দিয়েছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল (৫৪), সুনীল গাভাস্কার (৫১), অ্যালান বোর্ডার (৫২), জাভেদ মিয়াঁদাদের (৫৪) মত অলটাইম গ্রেটদেরও।


ভিভ রিচার্ডসকে মনে করা হয় ওয়ানডের সর্বকালের সেরা ম্যাচ উইনার। ১৮৭ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে ম্যাচসেরা হয়েছেন ৩১ বার! অর্থাৎ প্রতি ৬.০৩ ম্যাচে অন্তত একবার ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন তিনি।ভিভ রিচার্ডস হলেন ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি ৪৫ গড় এবং ৯০ স্ট্রাইক রেটের অনবদ্য ‘কম্বিনেশন’ বজায় রেখে পাঁচ সহস্রাধিক রান করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।



 

For the Love of Cricket : Barbados' $ 5 Banknote (Sir Frank Worrell) 




What could be more Barbadian than cricket? It's a sport the country has traditionally excelled in.With cricket so much a part of the culture, it's fitting that the Barbadian $ 5 note features cricket legend Frank Worrell. Together with Sir Everton Weeks and Clyde Walcott, Worrell was one of the famous “Three W's” —-the strongest middle-order batters in the world at the time. All three were born in Saint Michael, Barbados. Worrell was the first Black man to captain the West Indies cricket team.


Sir Frank Worrell (1924-1967), one of the legendary 3Ws along with Sir Everton Weekes and Sir Clyde Walcott, is widely acknowledged to be one of the greatest cricketers to ever play the game and was even named Wisden Cricketer of the Year in 1954.His contribution to the game goes beyond his exploits with the bat and ball, however. In 1960, he became the first black man to be appointed as captain of the West Indies team, a position he held until his retirement in 1963. He has also been credited for encouraging sportsmanship and curbing insularity in the team.


By donating blood Sir Frank Worrell once saved Indian captain Nari Contractor  who was hit on the head by a ball from Charlie Griffith during India’s 1962 tour match against Barbados.As a remembrance of Worrell’s help in saving Contractor’s life, the Cricket Association of Bengal organises a blood donation drive on February 3 every year and the day is commemorated as Sir Frank Worrell Day in the state of Bengal. 




After his retirement from cricket, he served as Warden of the University College of the West Indies and as a senator in Jamaica’s parliament.In 1964, he was knighted by Queen Elizabeth II for his contribution to the game of cricket. Sir Frank Worrell died of leukaemia on March 13, 1967 at the age of 42.The championship trophy for the cricket series between the West Indies and Australia and one of the residences at the University of the West Indies, Cave Hill Campus are named in his honour.




The  obverse of the note has bust of Sir Frank Worrell.The back of the note has an image of 

Worrell at the pitch in front of the “3Ws Oval,” a cricket facility on the Cave Hill Campus of the University of the West Indies. The ground was upgraded and renamed in honor of the country’s three cricket legends when the West Indies hosted the 2007 Cricket World Cup.The banknotes are inscribed with lines from the national anthem. Above an image of Worrell batting are the words “We write our names on history’s page, with expectations great.”




Sir Vivian Richard gets immortalized on $2 notes in Eastern Caribbean Currency  


The Eastern Caribbean Central Bank (ECCB) issued a polymer legal tender $2 commemorative bank note on Dec. 1 honoring the Caribbean Sultan of Swat, legendary cricketer Sir Vivian Richards, known in the sport as “The Master Blaster.”


The issue is part of the bank’s celebration of its 40th anniversary, with the theme “ECCB@40: A Year of Reflection, Celebration and Implementation.” It was printed by De La Rue in a slightly smaller size than the other Eastern Caribbean polymer notes. It is the first time that a reflective silver ink, a gold iridescent ink and a holographic blue foil have appeared together on a bank note.


The top half of the face of the vertically oriented commemorative bears an image of Richards at bat. The 71-year-old native of Antigua and Barbuda 🇦🇬, who was on the West Indies cricket team between 1974 and 1991, is considered one the sport’s greatest batsmen (hitters) of all time. He was named as one of the five top cricketers of the 20th century.


The bottom of the face and the entire back is representative of the region’s interconnected aquatic ecosystem, with coral reefs and marine life. A reflective turtle seen on both sides changes color as the note is tilted.




After presenting Richards with  an example of the $2 note during the unveiling ceremony, ECCB Governor Timothy N.J. Antoine explained that it was the hope of the bank that by placing Sir Vivian’s image on the note, it would “deliver fresh inspiration for the people of the Caribbean, not just for cricketers, but for all youth and people around the world.” He added, “We hope we can rekindle, through this act, a consciousness about Caribbean Civilization, self-belief, a sense of purpose and fearlessness as you so ably demonstrated on the field of play.”


Minister Camillo Gonsalves, Chairman of the ECCB Monetary Council, noted it was the hope of the Central Bank to inspire all citizens of the Eastern Caribbean to “reflect on the qualities, principles and the excellence embodied in the image of Sir Viv.”


Sir Vivian Richards said that he was honored and humbled to receive such recognition, and acknowledged the role of his parents whom he said instilled in him the self-belief which enabled him to be successful.


If there was ever a batsman in the history of the game who could be truly associated with the word, ‘fearless’, it had to be Sir Vivian Richards. So, fast bowlers were treated with utter disdain, as he arrogantly banished the quickest of the breed to all parts of the ground when he got going. To add insult to injury, he never wore a helmet in his career, and kept intimidating bowlers by nonchalantly chewing gum.


He has once been involved in 100 run plus partnership for the tenth wicket with Michael Holding in which the latter’s contribution was only 12, where as he also has scored a Test century off 56 deliveries. His 8000 odd Test runs have come at an average of more than 50, while his average of 47 and a strike rate of 90 in ODIs – at a time when the concept of fielding restrictions did not exist – is second to none. Richards’ three runouts in the 1975 World Cup final and a murderous century in finals of the 1979 World Cup went a long way in clinching them for his team. As a captain, Richards won a gigantic 27 matches out of the fifty he skippered in.


In 2002, Richards was chosen as the greatest ODI batsman of all time by Wisden, while in 2000, he was voted as one of top five Wisden cricketers of the century, behind Bradman, Sobers, Hobbs and Warne.






No comments

Powered by Blogger.