নয়া পয়সা
বহু
প্রবীণ মানুষকে এখনো বলতে শুনি
“এক নয়া পয়সা ধারও
কারো কাছে নেই “, অথবা
ঝগড়ার মধ্যে বলতে শুনেছিলাম “তুই
এক নয়া পয়সাও পাবি
না!”
আমরা
‘পয়সা’ দেখেছি বা ব্যবহার করেছি,
কিন্তু প্রবীণদের বলা এই ‘নয়া
পয়সা’ আসলে কি?
নয়া
পয়সার ইতিহাস হলো ভারতীয় মুদ্রাব্যবস্থার
একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ১৯৫৭
সালের ১লা এপ্রিল থেকে
চালু হয়েছিল। এই নতুন মুদ্রাব্যবস্থা
চালু হওয়ার পর থেকে, জনসাধারণের
মধ্যে এটিকে সহজে পরিচিত করানোর
জন্য ১ পয়সার মুদ্রাকে
'নয়া পয়সা' বলা হত, যা
১৯৬৪ সালের ১লা জুন পর্যন্ত
প্রচলিত ছিল। এর পরে
'নয়া' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়
এবং এটিকে শুধু 'এক পয়সা' নামে
পরিচিত করা হয়।
ভারতের
স্বাধীনতা লাভের দশ বছর পর,
অর্থাৎ ১৯৫৭ সালের ১লা
এপ্রিল, ভারতীয় মুদ্রা ব্যবস্থা দশমিক পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়।এর আগে, এক টাকাকে
১৬ আনায় ভাগ করা হত,
কিন্তু নতুন দশমিক পদ্ধতিতে
এক রুপিকে ১০০ পয়সায় ভাগ
করা হয়।এই নতুন দশমিক মুদ্রার
প্রচলনকে জনগণের কাছে সহজ ও
পরিচিত করতে, প্রথমদিকে ১ পয়সার মুদ্রাকে
'নয়া পয়সা' (অর্থাৎ 'নতুন পয়সা') বলা
হতো।
১৯৬৪
সালের ১লা জুন, 'নয়া'
শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
তখন
থেকে ১ পয়সার মুদ্রাকে
শুধুমাত্র 'এক পয়সা' বা
শুধু 'পয়সা' নামে অভিহিত করা
হয়।
এইভাবে,
'নয়া পয়সা' ছিল ভারতের আধুনিক
দশমিক মুদ্রাব্যবস্থার প্রথম যুগের একটি অংশ, যা
পরবর্তীতে সাধারণ 'পয়সা'-তে পরিণত হয়।






No comments